লাইভ ডেস্ক: এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীগণের বেতন-ভাতা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারে (ইএফটি) এর মাধ্যমে প্রদানের লক্ষ্যে অনলাইনে তথ্য সংশোধন/হালনাগাদ ও সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
আরও পড়ুন:
সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন যত টাকা বেতন বাড়লো সরকারি চাকরিজীবীদের
সাবেক সিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের বক্তব্য
সোমবার (০৩) ফেব্রুয়ারি) অধিদপ্তরের পরিচালক এইচ. এম. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার প্রধানদের পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বেসরাকরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) এর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীগণের এমপিও (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) ইএফটির মাধ্যমে প্রেরণের লক্ষ্যে পাইলটিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
শিক্ষক-কর্মচারীগণের এমপিও (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) ইএফটির মাধ্যমে প্রদানের লক্ষ্যে নিম্মোক্ত তথ্যাদি আবশ্যিকভাবে সংশোধন/হালনাগাদকরণে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তাই নিম্মোক্ত তথ্য নির্ধারিত ফরমে সঠিকভাবে পূরণপূর্বক প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সংরক্ষণ করতে হবে।
যে সব তথ্য চেয়েছে অধিদপ্তর
আবেদনকারীর নাম-বাংলা ও ইংরেজিতে (জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে), পিতার নাম- বাংলা ও ইংরেজিতে (জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে), মাতার নাম- বাংলা ও ইংরেজিতে (জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে) জন্মতারিখ (জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে), জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (স্মার্ট কার্ড হলে ১০ ডিজিট/জাতীয় পরিচয়পত্র ১৩ ডিজিটের হলে জন্ম সাল সংযুক্তপূর্বক হালনাগাদ ও সংরক্ষণ), মোবাইল নম্বর (নিজ জাতীয় পরিচয়পত্র দ্বারা নিবন্ধিত), পদবী ও বিষয়, বেতন কোড, ছবি, যোগদানের তারিখ, ১ম এমপিও’র তারিখ, ব্যাংকের তথ্যাদি: (ক) ব্যাংকের নাম (খ) শাখার নাম (যে শাখায় সকলের বেতন হয়) (গ) ব্যাংক হিসাবের নাম (জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী) (ঘ) ব্যাংক একাউন্ট নম্বর (ঙ) শাখার রাউটিং নম্বর।
উক্ত সংশোধিত/হালনাগাদকৃত সংরক্ষিত তথ্য পরবর্তীতে অনলাইনে প্রেরণের জন্য শীঘ্রই মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে মেমিস সফটওয়্যারের লিংক প্রদানসহ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হবে। উল্লেখ্য শিক্ষক-কর্মচারীদের অনলাইনে প্রেরণকৃত তথ্য অনুযায়ী মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক তথ্য সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তথ্য সঠিক না হলে ইএফটির মাধ্যমে প্রেরিত বেতন ভাতা( এমপিও) শিক্ষক-কর্মচারীর ব্যাংক হিসেবে জমা হবে না।
এমতাবস্থায়, উল্লিখিত তথ্য সঠিকভাবে সংশোধন/হালনাগাদপূর্বক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষক-কর্মচারীগণকে নির্দেশনা প্রদান করা হলো।